ছাত্ররাজনীতি ও মৌলবাদের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান জানালেন বুয়েট শিক্ষার্থীরা, নিলেন শপথও
ছাত্ররাজনীতি ও মৌলবাদের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান জানালেন বুয়েট শিক্ষার্থীরা, নিলেন শপথও
আজ বেলা ১টা ২৫ মিনিটে বুয়েট ক্যাফেটেরিয়ার সামনে দাঁড়িয়ে ডান হাত বাঁ বুকে রেখে শপথ পাঠ করেন বুয়েটের কয়েক শ শিক্ষার্থী। শপথে বলা হয়, 'আমি প্রতিজ্ঞা করছি যে এ মুহূর্ত থেকে বুয়েট পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে আমি এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সবার কল্যাণ ও নিরাপত্তার জন্য আমার ওপর অর্পিত ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক, নৈতিক ও মানবিক সব ধরনের দায়িত্ব সর্বোচ্চ সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করব। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের আঙিনায় যেকোনো অন্যায়-অবিচার ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সর্বদা সোচ্চার থাকব। আমরা আরও প্রতিজ্ঞা করছি যে বুয়েট ক্যাম্পাসে সব ধরনের সন্ত্রাস ও সাম্প্রদায়িক অপশক্তির উত্থানকে আমরা সম্মিলিতভাবে রুখে দেব। নৈতিকতার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বৈষম্যমূলক অপসংস্কৃতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারকে আমরা সমূলে উৎপাটিত করব। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের আঙিনায় যেন আর কোনো নিষ্পাপ প্রাণ ঝরে না যায়, কোনো নিরপরাধ যেন অত্যাচারের শিকার না হয়, তা আমরা সবাই মিলে নিশ্চিত করব।'
এরপরই সংবাদ সম্মেলন হয়। সেখানে বলা হয়, 'লেজুড়বৃত্তিক ছাত্ররাজনীতির চরমতম রূপ বারবার আঘাত হেনেছে আমাদের বুয়েট ক্যাম্পাসে। ২০০২ সালে থেকে শুরু করে ২০১৯ সাল — ছাত্ররাজনীতির অন্ধকার অধ্যায় তার ভয়ংকর দাগ রেখে গেছে আমাদের এ ক্যাম্পাসে। কালের পরিক্রমায় নিজেরা আন্দোলন করে দাবি আদায় নিশ্চিত করে সব বাধা ডিঙিয়ে সব শিক্ষার্থী ঐক্যবদ্ধ হয়ে যখন সুস্থ-সুন্দর একটি পড়াশোনার পরিবেশ নিশ্চিত করেছে, তখনই আবারও বুয়েট শিক্ষার্থীদের নিরপেক্ষ মনোভাবকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে অপপ্রচার চালাচ্ছে বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী মহল। গত ৩০ জুলাই বুয়েটের ২৪ বর্তমান শিক্ষার্থীসহ ৩৪ জন সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরে নাশকতার পরিকল্পনাকারী সন্দেহে আটক হন। পরে মহামান্য আদালতের মাধ্যমে তাঁদের জামিন মঞ্জুর হয়। এ বিষয়ে আমরা রাষ্ট্রীয় শাসনব্যবস্থার ওপর আস্থা রেখে একটি সুষ্ঠু ও দ্রুত বিচার আশা করছি।'
গ্রেপ্তার হয়ে পরে জামিন পাওয়া ওই ৩৪ জনের প্রত্যেকেই যদি দোষী প্রমাণিত হন, সাধারণ শিক্ষার্থীরা অবশ্যই তাঁদের বিপক্ষে থাকবেন বলে সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট অবস্থান জানান বুয়েটের শিক্ষার্থীরা। |
trans-duration);">বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
No comments